শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হামলা-লুটপাটের ঘটনায় চক্রের মূলহোতা রাজু সহ ৩ আসামি কারাগারে টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক আসামি গ্রেফতার শ্রমিকের রক্তেই গণতন্ত্র সমুন্নত থাকবে: নাটোরে হুইপ দুলু সাতক্ষীরা ট্রাক ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে দিনে-দুপুরে ভ্যান ছিনতাইচেষ্টা: এলাকাবাসীর হাতে আটক ১, গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ ফ্রান্স প্রবাসী আবেদ হোসাইনকে বাহুবল যুব সমাজের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন মামলার ১০ আসামি গ্রেফতার শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব–এর সামনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে ১–৭ মে অনুষ্ঠিতব্য ১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ২০২৬–এর কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। শ্রমিক-মালিক ঐক্যেই সমৃদ্ধির পথ—মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্রদ্ধা ও সংহতির আহ্বান

ধামইরহাটে কার্পেটিং প্রকল্পে অনিয়ম–দুর্নীতির; অভিযোগ স্থানীয়দের

মোঃ সহিদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় ৪০০ মিটার সড়কে কার্পেটিং কাজের নামে প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। রাস্তায় একটু ঘষা দিলে উঠে যায় মার্কেটিং। তাদের দাবি, ধামইরহাট পৌরসভার বরাদ্দের এই সরকারি কাজটি যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার এবং উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালামের নেতৃত্বে তাদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার মোঃ শাহিন হোসেনকে গোপনে কাজটি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টেন্ডার কবে হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ঠিকাদারই জানেন না। বরং রাতের অন্ধকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার রহমানের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার ও উপসহকারী আব্দুস সালাম পূর্বেও বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং এ মাধ্যমে নানা সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তাদের ধারণা। তারা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই কার্পেটিং কাজ শুরু করা হয়, যাতে স্থানীয়রা কাজের সিডিউল দেখতে বা প্রশ্ন তুলতে না পারে।

এছাড়া পৌর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের নামে একাধিক স্থানে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সজল কুমার পূর্বে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন সময় বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এখনো তাদের মাধ্যমে কাজগুলো করানো হয়, যার ফলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, “স্যারের নির্দেশে কাজ করা হয়েছে।” তবে সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা