শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে তানিম হোসেন (২০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার মনপুরায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিদায় পরীক্ষার্থীদের দোয়া, নবীন বরণ ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আদর করার হাতেই চাপাতির কোপ! শাহজাদপুরে ৫ বছরের শিশুর নৃশংস মৃত্যু গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি ঘিরে পেশাজীবী দলের অভূতপূর্ব সংবর্ধনা দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী গোমস্তাপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার শুভ উদ্বোধন। টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

গলাচিপায় ৩৮ বছর পর হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

খন্দকার জলিল, স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের চত্রা গ্রামে ১৯৮৮ সালে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় দেবেন্দ্র শিকারী দেবুকে। হত্যার পর নিহতের মেয়ে কল্পনা শিকারী বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত একই গ্রামের মৃত ছত্তার হাওলাদারের ছেলে মো. হারুন হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন। তবে রায় ঘোষণার পর থেকেই আসামী পলাতক ছিলেন।

এদিকে দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে আইনের জালে ধরা পড়লেন আসামী হারুন হাওলাদার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গলাচিপা থানা পুলিশ গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর লালবাগ এলাকার রোকেয়া কুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টার থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে শুক্রবার দুপুরে আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আশাদুর রহমান জানান, পুলিশের কাছে এই মামলাটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসামী দীর্ঘদিন ধরেই পরিচয় গোপন করে বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে ছিল। তিনি বলেন, “আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি এবং অবশেষে ঢাকা থেকে আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বহু বছরের পুরনো হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এটি একটি বড় সাফল্য।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর আসামী গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে। একইসঙ্গে এ ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, অপরাধ করে কেউ শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রক্ষা পায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা