সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টেকনাফে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান: মদ-ইয়াবাসহ আটক ৩ গোদাগাড়ীতে নবাগত ইউএনও ইসরাত জাহানের যোগদান মিরপুরে মনি কানন উচ্চ বিদ্যালয়ের তালাবদ্ধ কক্ষ উদ্ধার, উদ্যোগে এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পটুয়াখালী: ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত চতলা বাজারের ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জামালপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযান-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ‎দুর্গাপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ: আহত ৩ ‎ ‎ গোমস্তাপুরে অ্যাডভোকেট মাইনুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন। কালীগঞ্জে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রামুতে নারীদের দেহে ইয়াবা, আটক ৩

রাজশাহীতে নারী উদ্যোক্তাকে মারধর, শ্লীলতাহানি: থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন এক নারী উদ্যোক্তা। ভুক্তভোগী মোছাঃ মাফরোজা বেগম (৩৩) দাবি করেছেন, তার ওপর সংঘটিত মারধর, শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে ওসি তা নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১১ টায় বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে মাফরোজা বেগম বলেন , গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজশাহী নগরীর পুরোনো পোস্ট অফিস ক্যান্টনমেন্ট মার্কেট এলাকায় অবস্থিত তার ‘ডিপার্টমেন্টাল এ্যান্ড আর্মি স্টোর’ দোকানে প্রবেশ করে অভিযুক্ত মোঃ মাসুদ রানা (৪০) ও তার সহযোগীরা। এসময় তারা ভুক্তভোগীকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং দোকানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। পাশাপাশি ক্যাশবক্স থেকে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়া।

মাফরোজা বেগম জানান, ঘটনার পর তিনি আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা করতে গেলে ওসি তা গ্রহণ না করে তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা উপশহর ফাঁড়ির আইসি শাহ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও লুট হওয়া টাকার বিষয়টি বাদ দিতে বলেন।

এ সময় ভুক্তভোগী নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে ওসি আমার কথা না শুনে চা বানিয়ে খাচ্ছে। তিনি আরএমপি কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহ আলম জানান, হামলা, ভাঙচুর, মারধর, শ্লীলতাহানির সত্যতা পেয়েছি আমি। কিন্ত যে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করেছে সেটার সত্যতা পাইনি আমি।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর আর্থিক লেনদেনজনিত বিরোধ রয়েছে। তারা ওই নারীর নামে অভিযোগও করেছে। তাদেরকে দমানোর জন্য ওই নারী মামলা করার চেষ্টা করতেছে।

আরএমপি’র মিডিয়া মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, কেউ থানায় গিয়ে প্রতিকার না পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারেন। তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রশাসনের কোনো গাফিলতি পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা