শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের ফেসবুক আইডি হ্যাক, উস্কানি মূলক পোস্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন, চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মৃত্যু ঘিরে রহস্য শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ। লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ মারজিয়ার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজারে অস্ত্র-ইয়াবাসহ দুইজন আটক চারবার ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের ডিসি ছানোয়ার হোসেন ঝিনাইদহ ১১ কোটি টাকার আধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন, নাটোরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ভেকু জব্দ

ধামইরহাটে কার্পেটিং প্রকল্পে অনিয়ম–দুর্নীতির; অভিযোগ স্থানীয়দের

মোঃ সহিদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় ৪০০ মিটার সড়কে কার্পেটিং কাজের নামে প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। রাস্তায় একটু ঘষা দিলে উঠে যায় মার্কেটিং। তাদের দাবি, ধামইরহাট পৌরসভার বরাদ্দের এই সরকারি কাজটি যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার এবং উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালামের নেতৃত্বে তাদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার মোঃ শাহিন হোসেনকে গোপনে কাজটি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টেন্ডার কবে হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ঠিকাদারই জানেন না। বরং রাতের অন্ধকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার রহমানের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার ও উপসহকারী আব্দুস সালাম পূর্বেও বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং এ মাধ্যমে নানা সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তাদের ধারণা। তারা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই কার্পেটিং কাজ শুরু করা হয়, যাতে স্থানীয়রা কাজের সিডিউল দেখতে বা প্রশ্ন তুলতে না পারে।

এছাড়া পৌর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের নামে একাধিক স্থানে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সজল কুমার পূর্বে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন সময় বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এখনো তাদের মাধ্যমে কাজগুলো করানো হয়, যার ফলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, “স্যারের নির্দেশে কাজ করা হয়েছে।” তবে সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা