রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা অভিষেক উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ছাগল বিতরণে ওজন জালিয়াতি: হট্টগোলের মুখে বিতরণ স্থগিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে কৃষক লোকমান মিয়ার ওপর গভীর রাতে অতর্কিত হামলার অভিযোগ ঝিনাইদহে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় লাকসাম ইউনিটি ট্রমা হাসপাতাল বন্ধ রহস্যে ঘেরা কিশোরের নিথর দেহ: শাহজাদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ১০ ডাকাত আটক, ৯ জন উদ্ধার ঝিনাইদহে সাইবার ক্রাইম সেলের উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ও টাকা ফেরত। লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু

ধামইরহাটে কার্পেটিং প্রকল্পে অনিয়ম–দুর্নীতির; অভিযোগ স্থানীয়দের

মোঃ সহিদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় ৪০০ মিটার সড়কে কার্পেটিং কাজের নামে প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। রাস্তায় একটু ঘষা দিলে উঠে যায় মার্কেটিং। তাদের দাবি, ধামইরহাট পৌরসভার বরাদ্দের এই সরকারি কাজটি যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার এবং উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালামের নেতৃত্বে তাদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার মোঃ শাহিন হোসেনকে গোপনে কাজটি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টেন্ডার কবে হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ঠিকাদারই জানেন না। বরং রাতের অন্ধকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার রহমানের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার ও উপসহকারী আব্দুস সালাম পূর্বেও বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং এ মাধ্যমে নানা সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তাদের ধারণা। তারা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই কার্পেটিং কাজ শুরু করা হয়, যাতে স্থানীয়রা কাজের সিডিউল দেখতে বা প্রশ্ন তুলতে না পারে।

এছাড়া পৌর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের নামে একাধিক স্থানে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সজল কুমার পূর্বে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন সময় বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এখনো তাদের মাধ্যমে কাজগুলো করানো হয়, যার ফলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, “স্যারের নির্দেশে কাজ করা হয়েছে।” তবে সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা