সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্য হারাচ্ছে গলাচিপা: এবার হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত বৈশাখী মেলা রাঙামাটিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে বিক্ষোভ সমাবেশে গোমস্তাপুরে জ্ঞানচক্র একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গাজীপুরে স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে পালিয়েছেন স্বামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়াল কক্সবাজার জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ পীর নিহত চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ঝিনাইদহে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত,

গলাচিপায় আন্তর্জাতিক নারী ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা

খন্দকার জলিল জেলা ব্যুরো প্রধান, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর গলাচিপায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল আলম, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমএ মান্নান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজ বাহাউদ্দীন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সজল দাস, আনসার ও ভিডিপির প্রতিনিধি রীনা খাতুন, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে চারজন অদম্য নারীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক ও সনদ দেওয়া হয়। সমাজ ও পরিবারে তাদের নিরলস পরিশ্রম, সংগ্রাম এবং ইতিবাচক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করে উপজেলা প্রশাসন।

সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়- শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে হেপি আক্তারকে, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জন করায় নাজমা বেগমকে, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়ায় শাহিদা বেগমকে, সমাজ সেবায় অসামান্য অবদান রাখায় সেলুনা বেগমকে।

বক্তারা বেগম রোকেয়ার জীবন, সংগ্রাম ও নারীর শিক্ষায় তার অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, শুধু দিবস পালন করলেই হবে না—নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার আদর্শকে বাস্তবে ধারণ করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি এবং সমাজে সচেতনতা গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা। এর পূর্বে একটি বর্নাঢ্য রেলী বের করা হয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। সহযোগিতা করেন ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ, আভাস এবং ওয়েফ ফাউন্ডেশন।

উৎসবমুখর ও অনুপ্রেরণামূলক এই আয়োজন নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পথে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা