নিজস্ব প্রতিবেদক:
“দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ” পত্রিকার নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি মোঃ ওয়াদুদ ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন— গেল ১১ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে বগুড়ার ধুনট থানায় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল পরিচয়ে ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর বড়ভিটা বিন্যাকুড়ি এলাকার মুনমুন আক্তার ও রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে মুনমুন আক্তারকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কারাগারে পাঠায়।
তিনি বলেন, আমি মামলার এজাহার এবং ভুক্তভোগী বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে পত্রিকায় একটি সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করি, যা স্থানীয় ও জাতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, উক্ত প্রতারক পরিবারের পক্ষ থেকে অদ্য ১৪ জুলাই সোমবার দুপুর আনুমানিক ১২টায় উত্তর বড়ভিটা বিন্যাকুড়ি বাজারে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এতে আমার ব্যক্তিগত সম্মান, পেশাদারিত্ব ও সামাজিক অবস্থানকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়। আমি এহেন ঘৃণ্য অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, একটি অপরাধমূলক ঘটনার সঠিক ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রকাশ করাই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। অথচ সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পেশাগত কাজ থেকে বিরত রাখতে চক্রান্ত করা হচ্ছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী।একই সাথে তিনি আরও জানান, এই প্রতারক পরিবারের অন্য সকল সদস্য আমি সংবাদ প্রকাশ করায় আমি ও আমার পরিবারের অন্যসকল সদস্যদের হেয়প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সাংবাদিক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
তাই তিনি সর্বস্তরের সাংবাদিক সংগঠন সহ সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভাইদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।