এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ভূঁইয়া সাহেবের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে আহত তাহেরা বেগমের মেয়ে ইসরাত সুলতানা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বাদী ইসরাত সুলতানা জানান, মাগরিবের নামাজ আদায় করছিলেন তিনি ও তাঁর মা। সেজদায় থাকা অবস্থায় কয়েকজন মুখোশধারী যুবক হঠাৎ ঘরে ঢুকে তাঁদের চোখ ও মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে। পরে তাঁদের একটি কক্ষে আটকে রেখে আলমারির চাবি দাবি করে। চাবি দিতে দেরি হওয়ায় ডাকাতরা তাঁর বৃদ্ধ মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। এরপর আলমারি ভেঙে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়। যাওয়ার আগে ঘরের কয়েকটি আলমারির কাপড়চোপড় ও অন্যান্য মালামাল তছনছ করে ফেলে।
আহত তাহেরা বেগম বলেন, আমি ও আমার মেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ছিলাম। হঠাৎ চারজন মুখোশধারী আমাদের চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। তারা নামাজও শেষ করতে দেয়নি। পরে আরও কয়েকজন ঘরে প্রবেশ করে। তখন বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য ছিলেন না। তারা আলমারি ভেঙে সব তছনছ করে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ওই স্বর্ণের মধ্যে আমার বিয়ের সময়ের বহু বছরের পুরোনো গয়নাও ছিল। চাবি দিতে দেরি হওয়ায় তারা আমাকে ছুরি দিয়ে হাতে আঘাত করে।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সীতাকুণ্ড মডেল থানার এ