মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট: সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ” দর্শনায় গাঁজা বিক্রেতার ভ্রাম্যমাণ আদালতে‌ ১ বছরের কারাদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণ ব্যবসায়ীর মৃত্যু রাজনগরে ডাকাত সন্দেহে ড্রাইভারকে গণপিটুনি, পরে মিললো নির্দোষ প্রমাণ সাংবাদিক মামুনের সহধর্মিণীর ঢাকায় অস্ত্রোপচার,সুস্থতায় দোয়া চাইলেন। শ্রীপুর থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন। জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের ক্রাশ প্রোগ্রাম: চকবাজারে চট্টেশ্বরী খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কক্সবাজারে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ উপলক্ষে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ নেত্রীর মনোনয়ন,

জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের ক্রাশ প্রোগ্রাম: চকবাজারে চট্টেশ্বরী খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন

এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নগরজুড়ে খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (২০ এপ্রিল) নগরীর চকবাজার এলাকায় চট্টেশ্বরী খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে নগরীর জামালখান লিচুবাগান এলাকা থেকে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়, যা পর্যায়ক্রমে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে পরিচালিত হচ্ছে। সোমবারের কার্যক্রমে চট্টেশ্বরী খালের তলদেশে জমে থাকা পলি, ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য অপসারণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল, ফলে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিত। খালের তলদেশ থেকে মাটি উত্তোলনের মাধ্যমে এর গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হয়ে খাল হয়ে নদীতে প্রবাহিত হতে পারে। চসিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর নগরীর প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কার এবং প্রায় ৫০০টি ছোট নালা পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাল, নালা ও ড্রেনে পরিষ্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা নগরীর সামগ্রিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তোলিত মাটি দ্রুত অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে পুনরায় খালে পলি জমে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি না করে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে দুর্ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ খাল, নালা ও ম্যানহোলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী বেষ্টনী স্থাপন করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে এ কার্যক্রম তদারকিতে ম্যাজিস্ট্রেট, প্রকৌশলী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরিচ্ছন্নতা সুপারভাইজারদের সমন্বয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকার এ খাতে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানা গেছে, যা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে, যাতে খাল-নালা পুনরায় ভরাট না হয় এবং চলমান কার্যক্রমের সুফল স্থায়ী হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা