রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সংগ্রামী নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপনের মনোনয়ন প্রত্যাশা সংবেদনশীল অংশগুলোকে অতিরঞ্জিত করা হয়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নিশাত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার কিশোর অপরাধ রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকার আহ্বান মেয়রের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শতবর্ষী খাল ভরাট করে দখলের অভিযোগ, কৃষি ও জনজীবনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা চুয়াডাঙ্গা দর্শনায় নিষিদ্ধ ৬৫ পিস ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক ভাওয়াল রিসোর্টে অভিযান:দেশি-বিদেশি মদসহ আটক ৬ চুয়াডাঙ্গায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং ভোগান্তিতে শিশু ও শ্রমজীবী মানুষ, বাড়ির বাইরে অবস্থান সাতক্ষীরায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নওগাঁর বদলগাছীতে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার। রূপনগরে বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ৫ম তলার নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন

ঝিনাইদহে ভয়ঙ্কর রহস্য! তালাবদ্ধ ফার্নিচার দোকানের ভিতর থেকে উদ্ধার হলো গৃহবধূর মৃতদেহ, ‘খুনি’ স্বামী লাল মিয়া কোথায়?

শারমিন আরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,

এক চরম রহস্যের জন্ম দিয়ে ঝিনাইদহ শহরতলীর গোপীনাথপুর এলাকা। ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি তালাবদ্ধ ফার্নিচারের দোকান থেকে উদ্ধার করা হলো তাসলিমা খাতুন (৩৫) নামের এক গৃহবধূর নিথর দেহ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা এবং চাঞ্চল্য!

সবচেয়ে ভয়ানক বিষয় হলো— ঘটনার পর থেকেই তাসলিমা খাতুনের স্বামী, দোকান মালিক লাল মিয়াকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটিই পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহকে আরও জোরালো করেছে: এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড!

ঘটনার সূত্রপাত:
রবিবার সকালে লাল মিয়া তার ফার্নিচারের দোকানে আসেন। কিছু সময় পর স্ত্রী তাসলিমা খাতুনও দোকানে আসেন। সন্ধ্যার পরও বাবা-মা কেউ বাড়ি না ফেরায় তাদের ছেলে তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর, ছেলে দোকানের সামনে এসে দেখেন দোকানের তালা বাইরে থেকে লাগানো।

সন্দেহ হওয়ায় সে কোনোভাবে তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ভেতরে প্রবেশ করেই দেখে তার মা তাসলিমার রক্তাক্ত ও নিথর মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে আছে! এই দৃশ্য দেখেই সে চিৎকার করে ওঠে এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা:
রাত ৯টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা মনে করছি এটি পারিবারিক কলহের জের ধরে হওয়া একটি হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই স্বামী লাল মিয়া পলাতক রয়েছেন এবং তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত মোটিভ ও নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করতে পুলিশ জোরদার তদন্ত শুরু করেছে। পলাতক স্বামী লাল মিয়াকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন: স্ত্রীকে হত্যা করে কি পালিয়ে গেল স্বামী লাল মিয়া? নাকি এই নৃশংসতার আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রহস্য? ঝিনাইদহের এই ঘটনা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা