সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্য হারাচ্ছে গলাচিপা: এবার হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত বৈশাখী মেলা রাঙামাটিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে বিক্ষোভ সমাবেশে গোমস্তাপুরে জ্ঞানচক্র একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গাজীপুরে স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে পালিয়েছেন স্বামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়াল কক্সবাজার জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ পীর নিহত চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ঝিনাইদহে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত,

বাংলাদেশে নতুন করে এসেছে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গাঃ

বিশেষ প্রতিনিধি (আতাউর রহমান)

বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে নিবন্ধিত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সোমবার (১৫ মার্চ) প্রকাশিত সংস্থাটির মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারির তুলনায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১২৯ জন। গত বছরের জানুয়ারি মাসে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ জন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সাল থেকে রাখাইন রাজ্যে লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর ফলে নিরাপত্তার খোঁজে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে, যারা ১৯৯০ সাল এবং ২০১৭ সালের পর বিভিন্ন সময়ে মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০২ জন ১৯৯০ সালের পর এবং ১০ লাখ ৯০৬ জন ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ইউএনএইচসিআর বলছে, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ২০২৪ সালের শেষ দিকে শরণার্থী শিবিরগুলোতে নতুন আগতদের একটি ঢেউ লক্ষ্য করা গেছে। তাদের বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী, একক পিতা–মাতা, গুরুতর অসুস্থ, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক বা ঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি। প্রতিবেদনে এসব মানুষের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা