শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রমিকের রক্তেই গণতন্ত্র সমুন্নত থাকবে: নাটোরে হুইপ দুলু সাতক্ষীরা ট্রাক ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে দিনে-দুপুরে ভ্যান ছিনতাইচেষ্টা: এলাকাবাসীর হাতে আটক ১, গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ ফ্রান্স প্রবাসী আবেদ হোসাইনকে বাহুবল যুব সমাজের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন মামলার ১০ আসামি গ্রেফতার শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব–এর সামনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে ১–৭ মে অনুষ্ঠিতব্য ১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ২০২৬–এর কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। শ্রমিক-মালিক ঐক্যেই সমৃদ্ধির পথ—মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্রদ্ধা ও সংহতির আহ্বান টঙ্গীতে অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযোগভুক্ত নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্বেগে এলাকাবাসী শৈলকুপায় আলোচিত ঘটনা: মেয়ের জন্য ঠিক করা পাত্রের সঙ্গে পালিয়েছেন মা

বাংলাদেশে নতুন করে এসেছে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গাঃ

বিশেষ প্রতিনিধি (আতাউর রহমান)

বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে নিবন্ধিত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সোমবার (১৫ মার্চ) প্রকাশিত সংস্থাটির মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারির তুলনায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১২৯ জন। গত বছরের জানুয়ারি মাসে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ জন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সাল থেকে রাখাইন রাজ্যে লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর ফলে নিরাপত্তার খোঁজে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে, যারা ১৯৯০ সাল এবং ২০১৭ সালের পর বিভিন্ন সময়ে মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০২ জন ১৯৯০ সালের পর এবং ১০ লাখ ৯০৬ জন ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ইউএনএইচসিআর বলছে, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ২০২৪ সালের শেষ দিকে শরণার্থী শিবিরগুলোতে নতুন আগতদের একটি ঢেউ লক্ষ্য করা গেছে। তাদের বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী, একক পিতা–মাতা, গুরুতর অসুস্থ, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক বা ঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি। প্রতিবেদনে এসব মানুষের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা