শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিজয়নগরের পাহাড়পুর-চানপুরে লটকনের বাম্পার ফলন, হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে উত্তাল সাগর ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে টানা তিন দিন ধরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার বেশ কয়েকটি ইয়ার্ড পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কন্টেইনারে থাকা আমদানি পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চাঁদার দাবিতে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের প্রবেশপথে টিনের ব্যারিকেড দিয়ে মালামমাল পরিবহন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে রমজান আলী বলি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। সংযোগ সড়ক না থাকায় সাতক্ষীরায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু জনদুর্ভোগের কারণ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় এক পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। বাধা দিতে গেলে তাহেরা বেগম (বৃদ্ধা) নামে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। মহেশপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জামায়াতের যুব ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচ। সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল গনি শেখের ওপর মব সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ ঢাকা প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাতক্ষীরায় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে কোটচাঁদপুরে পোস্ট অফিস কর্মীদের স্মারকলিপি প্রদান পটুয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণে স্থবির জনজীবন

গলাচিপা আদালত চত্বরে নজিরবিহীন জলাবদ্ধতা

খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী:

সামান্য বৃষ্টিতেই পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন চত্বর এখন রূপ নিয়েছে এক বিশাল জলাশয়ে। চতুর্দিকে থৈ থৈ করছে পানি, আর সেই পানিতেই যেন বন্দি হয়ে পড়েছে ন্যায়বিচার পাওয়ার মূল কেন্দ্রটি। কোনো কার্যকরী ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন এই নজিরবিহীন জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে পুরো আদালত প্রাঙ্গণ।

যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার অন্যতম প্রধান শর্ত সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এই ব্যস্ততম আদালত ভবনের চারিপাশে পানি নেমে যাওয়ার মতো কোনো ড্রেন বা সুব্যবস্থা নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পানি জমে এখানে তৈরি হয় চরম হাঁটু পানি।

“শুধু সাধারণ মানুষই নন, বিজ্ঞ আইনজীবী থেকে শুরু করে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ—কারোই জুতো পায়ে দিয়ে স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করার উপায় নেই। প্রতিদিন এক প্রকার বাধ্য হয়ে, চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে এই নোংরা পানি মাড়িয়েই ঢুকতে হচ্ছে আদালত ভবন এবং আইনজীবীদের চেম্বারে।”

এই জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ বিচারপ্রার্থী মানুষ। সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তি আর নোংরা পানির নোংরা আবহাওয়া মাড়াতে হচ্ছে তাঁদের।

একটি দায়িত্বশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে দিনের পর দিন এমন দৃশ্য কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এবং আইনজীবী সমাজের এখন একটাই দাবি—আর কোনো কালক্ষেপণ না করে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে একটি টেকসই ও কার্যকরী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে দ্রুত এগিয়ে আসবেন? এখন এটাই দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা