সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্য হারাচ্ছে গলাচিপা: এবার হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত বৈশাখী মেলা রাঙামাটিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে বিক্ষোভ সমাবেশে গোমস্তাপুরে জ্ঞানচক্র একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গাজীপুরে স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে পালিয়েছেন স্বামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়াল কক্সবাজার জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ পীর নিহত চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ঝিনাইদহে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত,

আশুলিয়ায় ইজিবাইক ব্যবসার আড়ালে চোরাই গাড়ি বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

মোঃ সুমন সরকার স্টাফ রিপোর্টার আশুলিয়া (সাভার) প্রতিনিধি:

আশুলিয়ার শ্রিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইজিবাইক ব্যবসার আড়ালে চোরাই গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ তথ্য উঠে আসে। অভিযোগে বলা হয়, শ্রিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ইজিবাইক ব্যবসায়ী প্রোঃ শ্রী রতন রায়ের মাধ্যমে একটি পুরাতন ইজিবাইক বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী মোঃ আজাদুল ইসলাম জানান, তিনি নতুন ইজিবাইক তৈরির উদ্দেশ্যে রতন রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে একটি ব্যবহৃত ভালো মানের গাড়ি দেখানো হয়। পরে পারস্পরিক আলোচনা শেষে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকায় একটি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে গাড়িটি ক্রয় করেন তিনি। কিন্তু গাড়িটি নিয়ে দুই দিন পর চক্রবর্তী এলাকায় ভাড়া চালাতে গেলে গাড়ির মূল মালিক দাবি করেন মোঃ মোশিউর রহমান। তিনি জানান, গাড়িটি তার এবং এর বিষয়ে আশুলিয়া থানায় ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ভজোন জানান, অভিযোগকৃত ঘটনায় একটি ছিনতাই মামলা রয়েছে এবং এর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ইজিবাইক ব্যবসায়ী শ্রী রতন রায় দাবি করেন, তিনি মোঃ আবু তাহের নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে গাড়িটি কিনেছিলেন এবং পরে তা আজাদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। অন্যদিকে স্থানীয় কয়েকজন ইজিবাইক চালক অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই বা সন্দেহজনক মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের একটি চক্র সক্রিয় থাকতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা