শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশপুরে এডিপির অর্থায়নে অসহায় মানুষের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। পাবনার আতাউল্লাপুরে নদীর খননকৃত মাটি কাটার দায়ে ভেকু মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান নিউ ফিউচার লাইফের মতবিনিময় সভায় চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া কাবিননামা ফেসবুকে পর্নোগ্রাফি ছড়ানো অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শৈলকুপায় মাদকবিরোধী সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত: ৫ মাসে গ্রেফতার ৩৫০ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে মহেশপুরে জামায়াত এর যুব বিভাগের মানববন্ধন। গোমস্তাপুরে রোকনপুর পূর্ণভবা ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। বিএনপি সরকার ব্যার্থ হওয়ার জন্য আসেনি – সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী,

চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া কাবিননামা ফেসবুকে পর্নোগ্রাফি ছড়ানো অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ,স্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গায় এক গৃহবধূর সাথে ভুয়া কাবিননামার মাধ্যমে বিয়ের প্রতারণা এবং পরবর্তীতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের গোপন ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. মাহাবুব ইসলাম বাহাদুর (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ​গ্রেপ্তারকৃত মাহাবুব ইসলাম বাহাদুর নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার উত্তর বগুলাগাড়ী (হাজীপাড়া) গ্রামের মো. আবু হোসেন ওরফে আবু বকরের ছেলে।​মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী পেশায় একজন গৃহিনী। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চুয়াডাঙ্গা সদর এলাকার একটি মেডিকেল সেন্টারে মাহাবুবের সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাবুব চুয়াডাঙ্গায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই গৃহিনীকে বিয়ে করে। এরপর থেকে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন।
​কিছুদিন পর ওই গৃহবধূ কাবিননামাটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হন এবং বিষয়টি মাহাবুবের কাছে জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাহাবুব তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে। উপায়ান্তর না দেখে ভুক্তভোগী নারী একপর্যায়ে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মাহাবুবকে ডিভোর্স (বিবাহবিচ্ছেদ) প্রদান করেন।​অভিযোগে আরও জানা যায়, ডিভোর্স দেওয়ার পূর্বে মাহাবুবের সাথে সংসার করার সময় এবং ভিডিও কলে কথা বলার সময় ওই গৃহবধূর কিছু একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও গোসলের ভিডিও কৌশলে মোবাইল ফোনে স্ক্রিন রেকর্ড করে রেখেছিল মাহাবুব। ডিভোর্সের পর মাহাবুব চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওইসব আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া (ফেক) আইডি খুলে ছড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, মাহাবুব নিজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ওই নারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে আপত্তিকর ভিডিওগুলো পাঠিয়ে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় করাসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।​এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হাজির হয়ে মাহাবুবের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও প্রতারণার অভিযোগে একটি এজাহার দায়ের করেন।
​মামলা দায়েরের পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় মির্জাপুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আসামি মাহাবুব ইসলাম বাহাদুরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা