বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জের আফজাল রোডে বৃষ্টির পানিতে তীব্র জলাবদ্ধতা: দুর্ভোগে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা শাহজাদপুরে ভেজাল কীটনাশক কারখানায় টাস্কফোর্সের অভিযান, জেল ও জরিমানা গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ইউনিয়নে উত্তরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার লালদিঘির পাড় এলাকায় আর্জেন্টিনার পতাকা গোমস্তাপুরে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 🇧🇩 🇦🇷 ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ মিছিল, উল্লাসে কাপছে ঝিনাইদহ শহর, ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রী লামিয়ার রহস্যজনক মৃ,ত্যু, পরিবারের আ,হাজারি, কালিয়াকৈরে সামান্য বৃষ্টিতেই মৌচাক হাজী মার্কেট এলাকা হাঁটু পানিতে জলমগ্ন, জনদুর্ভোগ চরমে ঘাটাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে ১১ জনের কারাদণ্ড চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

নবীনগরে মাদকের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত -১ গুলিবিদ্ধ –

হেবজুল বাহারস্টাফ রিপোর্টার:

২/১১/২৫ ইং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণি শাহ্ মাজার, নুরজাহানপুর ও থোল্লাকান্দি এলাকায় মাদকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফায় পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের চারজন গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চারজনকে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ শিপন মিয়া (৩০)মারা যান। তিনি নুরজাহানপুর গ্রামের মন্নাফ মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নে গণি শাহর মাজার সংলগ্ন একটি স্থানীয় বিষুর হোটেলে নুরজাহানপুর গ্রামের মন্নাফ মিয়া ওরফে মনেকের ছেলে শিপন মিয়া নাস্তা খাচ্ছিল। ওই সময় থোল্লাকান্দি গ্রামের এমরান মাস্টারের সহযোগী মৃত মিস্টার মিয়ার ছেলে আরাফাতের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী হোটেলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি করতে থাকে। এতে শিপন মিয়া (৩০) এবং হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হন। মনেক মিয়ার ছেলে শিপন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর তার গ্রাম নূরজাহানপুরে ছড়িয়ে পড়লে মনেকের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে থোল্লাকান্দির তালতলা মোড়ে এমরান মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। এ সময় মনেকের সশস্ত্র লোকজনের ছোড়া গুলিতে এমরান মাস্টার(৩৮)গুলিবিদ্ধ হন। পরে মনাকের লোকজন আরাফাতের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। এদিকে এমরান মাস্টার ঢাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোঃ বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই। হোটেল কর্মচারী ইয়াছিন ও এমরান মাস্টারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন বিষয়ে একক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুরজাহানপুরের মনেক মিয়া ও এমরান মাস্টার গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই আধিপত্যের দ্বন্দ্বই পাল্টাপাল্টি হামলার মূল কারণ বলে স্থানীয়রা মনে করছেন তবে তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নন। তাদের অত্যাচার ও নির্যাতনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার রাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক এবং নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। আর যেন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটতে পারে সে জন্য এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো ডাকাতির ভাগাভাগি নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। মনেক ও তার ছেলে নিহত শিপনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় অস্ত্র , মাদক, খুন ও ডাকাতি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা

মনপুরায় মাদক সরবরাহের সময় গাঁজাসহ দুই মাদককারবারি আটক, জেল হাজতে প্রেরণ।। সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাকিল খান রাজু ভোলার মনপুরায় মাদক সরবরাহের সময় দুই মাদককারবারিকে গাঁজাসহ আটক করে পুলিশ। রোববার দুপুর দেড় টায় মাদক আইনে মামলা দায়ের পর আদালতের মাধ্যমে ভোলা জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের সিকদার হাটের মুদি দোকানের সামনে থেকে এক মাদককারবারি ও অপর এক মাদককারবারীকে হাজিরহাট ইউনিয়নের ফকিরহাট বাজার থেকে আটক করে পুলিশ। এই দুই মাদককারবারির কাছ থেকে ৭০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত দুই মাদককারবারি হলেন, মজির উদ্দিন ও রাজিব। উভয়ের বাড়ি উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের ৮ ওয়ার্ডে। এই বিষয়ে মনপুরা থানান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, আটককৃত দুই মাদককারবারিকে মাদক আইনে মামলা দায়ের পর আদালতের মাধ্যমে ভোলা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।