বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশখালীতে ৭ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন তিন শিক্ষার্থী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য এম-ট্যাব বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঢাকা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কক্সবাজার জেলা কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। সিলেটে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শক্তিশালী নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)। মনপুরায় আধুনিক ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর শহীদ ওসমান হাদী ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স নামকরণ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মির্জাপুরে অবৈধ কয়লার চুল্লী ব্যবসা: ঝুকিপূর্ণ স্থানীয় এলাকাবাসী পরিত্যক্ত সিটি করপোরেশন মার্কেট থেকে থেকে অস্ত্র-গুলির বিশাল ভাণ্ডার উদ্ধার ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর ও ওয়াজের আলী হাই স্কুল মাঠে শরিফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে শহীদ ওসমান হাদীর জন্য দোয়া ও কফিন মিছিল ঝিনাইদহে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধর ঝিনাইদহে ভারতীয় গুপ্তচর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী সজীব হোসেন আটক, জনতার মারধর ও পুলিশের কাছে সোপর্দ টেকনাফে বাড়ি থেকে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,নারী গ্রেপ্তার ওসমান হাদীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরায় শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরায় দুদক উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ এঁর বিদায় সংবর্ধনা ঝিনাইদহের প্রাণকেন্দ্রে BOND শোরুমে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত অবৈধ সার ও ভেজাল কীটনাশকের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান

আটঘরিয়ার শিক্ষকের বেত্রাঘাত সহ্য করতে না পেরে বিষপানে শিক্ষার্থীর আত্নহত্যা,বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

পাবনা জেলা প্রতিনিধি: “আমার বোন মরল কেন? বিচার চাই, সুষ্ঠু বিচার ও শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার ১০ নভেম্বর সকাল নয়টা থেকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষিকার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা । বিক্ষোভ মিছিলটি খিদিরপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে টায়ার জালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এবং প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসুচি স্থগিত করেন এবং  মানববন্ধন শেষ করেন। তবে এর সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনার বিবরণ সূত্রে  জানা গেছে, মোবাইল ফোন রাখার অপরাধে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে  ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার জেমিকে ডেকে নিয়ে কমনরুমে আটকে রেখে বেধরক মারপিট ও বেত্রাঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এঘটনার পরিপেক্ষিতে ওই ছাত্রী অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘটনার এক সপ্তাহ পরে রবিবার ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে আটটার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়  বলে অভিযোগ পরিবারের। বিষয়টি এলাকায় ছাত্র অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ে। উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার জেমি। গত ২ নভেম্বর একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করেন । এসময় ক্লাস শিক্ষিকা মিনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনের কাছে মোবাইল ফোন  দেখতে পেয়ে ক্লাস রুমে ব্যাপক অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও অপমান অপদস্ত করে। পরে খন্ডকালিন শিক্ষিকা সালাম খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনকে ফ্লিমস্টাইলে ক্লাস রুম থেকে ডেকে কমনরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেত দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে শিক্ষার্থী জেমির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক আঘাত ও জখম করে এবং অপমান অপদস্ত করে স্কুল থেকে বের করে দেয়। পরে শিক্ষিকার এই বেধরক মারপিট ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী জেমি ঘটনার দিন বিকেলে দাদির বাড়িতে গিয়ে ঘাস মারা বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জেমির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে জেমিকে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে  পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আরও বেগতিক হলে চিকিৎসক চার দিন পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে।  সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে আটটার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। নিহত জেমির পিতা জাহাঙ্গীর হোসেন আহাজারি করে বলেন, আমার মেয়েকে মাস্টার মিনোয়ারা খাতুন ও সালমা খাতুন স্কুল রুমের মধ্যে আটকে রেখে বেত দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটে ড্যানায় মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে ।আমি ওই দুই শিক্ষকের ফাঁসি চাই।  এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিনোয়ারা ও সালমা খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া  যায়। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুজ্জামান সরকার বলেন অভিযোগ হাতে পায়নি পেলে  সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা