রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টেকনাফে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান: মদ-ইয়াবাসহ আটক ৩ গোদাগাড়ীতে নবাগত ইউএনও ইসরাত জাহানের যোগদান মিরপুরে মনি কানন উচ্চ বিদ্যালয়ের তালাবদ্ধ কক্ষ উদ্ধার, উদ্যোগে এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পটুয়াখালী: ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত চতলা বাজারের ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জামালপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযান-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ‎দুর্গাপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ: আহত ৩ ‎ ‎ গোমস্তাপুরে অ্যাডভোকেট মাইনুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন। কালীগঞ্জে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত রামুতে নারীদের দেহে ইয়াবা, আটক ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত চত্বর থেকে হাতকড়াসহ পলাতক দুই আসামির একজন গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার: কে এম হাবিবুল্লাহ (হাবিব)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া দুই আসামির মধ্যে একজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটক আসামি সজল মিয়া (২৮)। তিনি বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের সিংগারবিল গ্রামের বাসিন্দা। একই ঘটনায় পলাতক রয়েছেন শাহীন মিয়া (২৯), যিনি একই গ্রামের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর এলাকা থেকে চার কেজি গাঁজাসহ সজল ও শাহীনকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশ পুলিশ। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ দুই আসামিকে পৃথক হাতকড়া পরিয়ে আদালতে হাজির করার জন্য নিয়ে আসে। বেলা সোয়া তিনটার দিকে আদালত চত্বরে পৌঁছানোর পর গাড়ি থেকে নামানোর সময় কৌশলে হাতকড়াসহ পালিয়ে যান তারা। পালিয়ে যাওয়ার পর সজল মিয়া শহরের হাসিনাবাগ এলাকায় একটি বাড়িতে লুকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় বাড়ির এক গৃহবধূর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করে এবং পরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। অন্যদিকে, পলাতক শাহীন মিয়া দৌড়ে গিয়ে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন এবং কুরুলিয়া খাল পার হয়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, পলাতক দুই আসামির একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে আদালত পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, আসামিরা আদালত পুলিশের হেফাজত থেকে নয়, বরং বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশের হেফাজত থেকেই পালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা