শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ,
ঝিনাইদহ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মুহিদুল ইসলাম (৪০) কে রাজধানী ঢাকার সাভার এলাকায় গলা কে,টে হ,ত্যা করা হয়েছে। রবিবার (২৯মার্চ) গভীর রাতে এই নৃশং,স হ,ত্যাকা,ণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নি,হতের পরিবার।
নিহত মুহিদুল ইসলাম ঝিনাইদহ পৌর ৯নং ওয়ার্ডের চরমুরারীদহ গ্রামের মৃত সাত্তার মণ্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইদহ জেলা বাস, মিনিবাস, মাক্রোবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে কাজ করছিলেন বলেও জানা গেছে।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান,
বছর দুয়েক আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৯নং পোড়াহাটী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা,
রাজনের স্ত্রী মোহনার সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন নি,হত মহিদুল।
মহিদুল সেসময় রাজনের প্রাইভেট কার চালাতেন। এক পর্যায়ে, গাড়িচালক হিসেবে মহিদুলের সাথে রাজন ও তার স্ত্রী মোহনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাজনের অনুপস্থিতিতে তা রূপ নেয় পরকিয়া সম্পর্কে। সেসময়, বিষয়টি রাজন জানার পর মহিদুলকে তুলে নিয়ে মারধর শেষে স্ট্যাম্প লিখে নেয়। তারপর আবারও মোহনা যোগাযোগ করে মহিদুলের সাথে।
ঘটনা থেমে থাকেনি। একের পর এক হুম,কি-ধমকি চলেছে দীর্ঘদিন ধরে।
সেসময় রাজন বেশ কয়েকবার মহিদুলকে মে,রে ফেলার হু,মকিও প্রদান করে।
পরবর্তীতে, রাজন তার স্ত্রীকে দিয়ে সুকৌশলে মহিদুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।
এ বিষয়ে মহিদুলের স্ত্রী জানান,
মোহনা আমার স্বামীকে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর জন্য নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। সেসময় চাকরিচ্যুত করার ভয়, দেখিয়ে সে আমার স্বামীর সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়ায় এবং এই সম্পর্ক ধরে রাখতে নিয়মিত হুমকি-ধমকি দিত।
আমার স্বামী কোনকিছুই গোপন করেনি আমার কাছে। দুবছর আগে মীমাংসার পর থেকে মোহনার এই অত্যাচার আরও তীব্রভাবে বাড়তে থাকে। রাজন আমার স্বামীকে হুমকি দিয়ে বাড়ি ছাড়া করেছে।
নিহতের স্ত্রী আরও বলেন,
"রাজন এবং মোহনা আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে। আমার মাসুম বাচ্চাকে এতিম করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার স্বামী হত্যা,র বি,চার চাই।"
এদিকে, মহিদুল হ,ত্যাকা,ণ্ডে ঝিনাইদহ জেলা বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।