মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গায় ফ্রি ফায়ার ও মোবাইল গেমে আসক্ত ছোট বড় সকলে চুয়াডাঙ্গায় জেলায় মোবাইল গেম প্রযুক্তির অবদান বর্তমানে মোবাইল গেম বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে বর্তমানে তরুণরা মোবাইল গেমের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছে যে, তারা দৈনিক চার-পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল গেমে অপচয় করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৮ সালে মোবাইল গেম আসক্তিকে "রোগ" বলে আখ্যায়িত করেছে। তাইতো এমন সামাজিক অবক্ষয়ের চেতনায় মনে পড়ে নিউটনের সূত্রকে।নিউটনের সূত্রমতে, প্রত্যেকটা ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ঠিক তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে শুধু সুবিধা ভোগ করছে জনগণ তা নয় এর বিপরীতে অনেক অসুবিধা বা কুফলও ভোগ করছে জনগণ। সন্তানদের মেধা বিকাশে একটা সময় হা-ডু-ডু, গোল্লাছুট, ডাঙ্গুলি,দাঁড়িয়াবান্ধা, কানামাছি প্রভৃতি খেলার সুযোগ দিত অভিভাবকরা।কিন্তু আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় আগের ষবিষয়গুলোকে ভুলে গিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা জোর করে নিত্য নতুন মোবাইল কেনার ছন্দে মেতেছে সন্তানরা। ষএক্ষেত্রে অভিভাবকে দায়ী করা হচ্ছে বলে মনে হয়। চুয়াডাঙ্গায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিভৃত পল্লী গ্রাম থেকে শুরু করে সব জায়গাই এমন গেমের প্রাদুরভাব লক্ষ করা যায়।তবে সব চেয়ে বেশি চোখে পড়ে গ্রামীন বসতীগুলোয়।সন্ধার পর অবসর সময়ে দল বেধে উৎসবমুখর পরিবেশে দেখতে পাওয়া যায় মোবাইল গেমে আসক্ত যুবকদের।মার -মার, ধর- ধর এমন শব্দে মুখরিত চারপাশ।একদিকে এটি যেমন শব্দ দুষনের কারন অপরদিকে এদের মেধা ও সময়ের অবক্ষয়।তাইতো প্রশাসনের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেভাবে ঞমোবাইল গেম আসক্ত করেছে সর্বস্তরের মানুষ ও আবাল বনিতাকে। এমন অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে পারে প্রশাসনের কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা।