বিশেষ প্রতিনিধি: আতাউর রহমান
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তেহরানের আক্রমণের গতি বেড়েছে। আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তারা পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে। এর ফলে তেল আবিব এখন এই যুদ্ধ থেকে ‘পালানোর পথ’ খুঁজতে শুরু করেছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বলেছেন, ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ চায় না। তিনি জানান, এই সংঘাত কখন এবং কীভাবে শেষ করা যায় সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
জেরুজালেমে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যখন আমরা মনে করব যুদ্ধ শেষ করার উপযুক্ত সময় এসেছে, তখন আমরা আমাদের আমেরিকান বন্ধুদের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করব।”
এদিকে ইরানের সঙ্গে মার্কিন–ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক সরে গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
টমি পিগট জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার প্রত্যাবাসিত নাগরিককে সহায়তা করেছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন পূর্ণ ছিল, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে নিজেরাই দেশে ফিরে গেছেন।