মোঃ নেছার উদ্দিন
বরগুনার আমতলীতেও তীব্র জ্বালানি(পেট্রোল)সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল।চাকুরীজিবি, স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের পাশাপাশি দিনমজুরদেরও কর্মস্থলে পৌছানোটা এক দুরাবস্থার রাস্তায় হাটতে হচ্ছে। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ। শুক্রবার উপজেলা ঘুরে দেখাগেছে, গত কয়েকদিন ধরেই আমতলী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি(পেট্রোল)তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না। বিশেষ করে পাম্পে কিছু পেট্রোল পাওয়া গেলেও তাতে বাইকারদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। দেখা গেছে, রহমান ফিলিং স্টেশন, সৈকত ফিলিং স্টেশনসহ অনেকগুলো তেল পাম্পে পেট্রোল সংকট রছে। প্রতি বাইকারদের কাছে ১০০ টাকা করে তেল বিক্রি করছেন পাম্প কর্তৃপক্ষরা। তাতে চাহিদা অনুযায়ি পেট্রোল পাচ্ছে না। বাইকাররা। ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নাসির বয়াতি, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে। আমতলী একেস্কুল রোডের জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী মোস্তফা হাওলাদার ও আল আমিন বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জররি। আমতলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন,এ উপজেলায় জ্বালানি(পেট্রোল)যদি কেউ মজুদ করে রাখে এবং তাতে সংকট দেখায় আমরা আইন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।